মিন্টু শাহজাদা
ঘুম থেকে উঠে দেখি সকাল হয় নাই।
মুয়াজ্জিন আযান দেয় নাই এখনও, ভোরে।
আমলকি গাছের নিচে কল চেপে ওযু করতেছি আমি।
নামায কাযা হইবার আগে ডান কাতে শুইয়ে
পৃথিবীর সব মানুষ ঘুমিয়ে আছে। নিরবে।
আমিও ঘুমাতেছি যেন কিংবা ওযু করতেছি
আমলকি গাছের নিচে। আমারও নামায কাযা হইবার ভয়!
আমারও ভয় হতেছে খুব, মরণের, কবরের, দোযখের, কিংবা
হাশরের মাঠে আমি ইয়া নাফসি! ইয়া নাফসি! করে
দৌড়াইতেছি যেন এবং সকলের ভেতরে একা একা
দৌড়াইতেছি, কইতেছি- ইয়া নাফসি! ইয়া নাফসি!
মুয়াজ্জিন আযান দেয় নাই এখনও, ভোরে।
আমলকি গাছের নিচে কল চেপে ওযু করতেছি আমি।
নামায কাযা হইবার আগে ডান কাতে শুইয়ে
পৃথিবীর সব মানুষ ঘুমিয়ে আছে। নিরবে।
আমিও ঘুমাতেছি যেন কিংবা ওযু করতেছি
আমলকি গাছের নিচে। আমারও নামায কাযা হইবার ভয়!
আমারও ভয় হতেছে খুব, মরণের, কবরের, দোযখের, কিংবা
হাশরের মাঠে আমি ইয়া নাফসি! ইয়া নাফসি! করে
দৌড়াইতেছি যেন এবং সকলের ভেতরে একা একা
দৌড়াইতেছি, কইতেছি- ইয়া নাফসি! ইয়া নাফসি!
আমাদের পৃথিবীতে আমরা এসেছি ধুসর আকাশের নিচে
তারপর ফসলের বতর নিতে আটি বানতেছি ধানের, মসুরের।
সময়েরও আটি বানতেছি। সময় ছিঁড়ে ছিঁড়ে আটি বাঁধার পর
লাল রঙের বেলা ডুবতেছে দেবদারু গাছের মাথার ভিতর দিয়েে
এবং আমরা ধান কিংবা মসুর অথবা সময়ের আটিগুলা মাথায় বয়ে নিয়ে
গরুগুলারে ঠেঙাইতে ঠেঙাইতে বাড়ি নিতেছি কিংবা সময় ঠেঙাইতেছে
আমাদের, মাথার উপরে সময়ের আটি কিংবা ধানের, মসুরের।
তারপর ফসলের বতর নিতে আটি বানতেছি ধানের, মসুরের।
সময়েরও আটি বানতেছি। সময় ছিঁড়ে ছিঁড়ে আটি বাঁধার পর
লাল রঙের বেলা ডুবতেছে দেবদারু গাছের মাথার ভিতর দিয়েে
এবং আমরা ধান কিংবা মসুর অথবা সময়ের আটিগুলা মাথায় বয়ে নিয়ে
গরুগুলারে ঠেঙাইতে ঠেঙাইতে বাড়ি নিতেছি কিংবা সময় ঠেঙাইতেছে
আমাদের, মাথার উপরে সময়ের আটি কিংবা ধানের, মসুরের।
এইভাবে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি যাইবার পর ঘুমাইতেছি আমি, আমরাও।
ঘুম থেকে উঠে দেখতেছি সকাল হয় নাই।
‘আস্ সালাতু খাইরুম মিনান নাওম’ বলে নাই মুয়াজ্জিন, ভোরে।
আমলকি গাছের নিচে ওযু করতে করতে আমারও ভয় হতেছে খুব,
মরণের, কবরের, দোযখের কিংবা হাশরের মাঠে সকলের ভেতরে
পিপাসার্ত উন্মাদের মতোন আমি একা একা দৌড়াইতেছি যেন
কাতর গলায় কইতেছি - ইয়া নাফসি! ইয়া নাফসি! ইয়া নাফসি!
ঘুম থেকে উঠে দেখতেছি সকাল হয় নাই।
‘আস্ সালাতু খাইরুম মিনান নাওম’ বলে নাই মুয়াজ্জিন, ভোরে।
আমলকি গাছের নিচে ওযু করতে করতে আমারও ভয় হতেছে খুব,
মরণের, কবরের, দোযখের কিংবা হাশরের মাঠে সকলের ভেতরে
পিপাসার্ত উন্মাদের মতোন আমি একা একা দৌড়াইতেছি যেন
কাতর গলায় কইতেছি - ইয়া নাফসি! ইয়া নাফসি! ইয়া নাফসি!
০৪/০৫/২০১৮
মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

এই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।
উত্তরমুছুন