সূচীপত্র

প্রবন্ধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রবন্ধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, জুন ০৬, ২০১৭

এই দেশ কেবল বোদ্ধাদের একার নয়

মিন্টু শাহজাদা

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। বহুকাল ধরেই এ অঞ্চলের সাধারণ জনগোষ্ঠিকে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতির সাথে বসবাস করার প্রমাণ পাওয়া যায়। এদেশীয় হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃস্টানসহ সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা ও সহমর্মীতা অটুট ছিল এবং এখনও রয়েছে। তবে গুটিকয়েক মানুষের বিভিন্ন মাধ্যমে ধর্ম নিয়ে বড্ড বেশি মাতামাতি এক অদ্ভুত ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। এতে করে সাধারণের মাঝে এতদিনের সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির যে মেলবন্ধন রচিত হয়েছিল ধীরে ধীরে তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর মূলে কারণ কি?

শুক্রবার, এপ্রিল ১৪, ২০১৭

শুভ নববর্ষ ১৪২৪

মিন্টু শাহজাদা

গত রাতে অনেকক্ষণ ইলেকট্রিসিটি ছিল না। রাতে ঘুমাতে দেরি হওয়ায় আজ সকালে বিছানা ছাড়তে দেরি হয়েছিল। ঘুম ভেঙে উঠব উঠব করছিলাম এমন সময় দেখি দুধ কলা মাখানো ভাত নিয়ে আমার সহধর্মিনী এলেন এবং মুখ না ধোয়া অবস্থায়ই আমাকে খাইয়ে দিলেন, আমার তো আধোয়া হাত।খেতে বলায় তিনিও খেলেন। গতবারেও এমন হয়েছিল। তখন এর মর্ম বুঝিনি। পুনরাবৃত্তি হওয়ায় বুঝলাম এটি ঐতিহ্য এবং চলবে। দুয়া পড়ে আমাকে ফু দিলেন। আমার ভালই লাগল।

সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৭

প্রচার মাধ্যমে বিকৃত বাংলাভাষা ও আমার কিছু সুপারিশ

মিন্টু শাহজাদা

আমাদের কয়েকজন বন্ধু আর. জে. মানে রেডিও জকি হয়েছিল। কারা যেন এর বাংলা নাম দিয়েছে ‘কথাবন্ধু।’ এই আরজে’র বাংলা রূপ কথাবন্ধু যে কার মাথা থেকে এসেছে জানিনা। কথাবন্ধু না হয়ে অন্য কিছু হলে হয়ত ভাল হত। ’কথা বলে যে বন্ধু’ কিংবা ’কথার বন্ধু’ যে সমাসেই ফেলেন না কেন তা কিন্তু রেডিও কিংবা বেতারকে প্রাসঙ্গিক করে না। আর কথা তো সবাই বলে। সবাই কি কথাবন্ধু? পাগলও তো কথা বলে। ফেরিওয়ালা মধুর স্বরে হাক দেয় – ‘এই মুরগী…..!’ সবাই কথা বলে। তাহলে কথাবন্ধু কি করে আরজে’র বাংলা রূপ হতে পারে?

শুক্রবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৬

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও আগামীর নেতৃত্ব


মিন্টু শাহজাদা

ইতিহাসকে বিজ্ঞান না বলা হলেও প্রকৃতার্থে ইতিহাস ও দর্শণ মিলেই বিজ্ঞান। সকল আবিষ্কার ও উদ্ভাবনই ক্রমাগত ইতিহাস ও বর্তমানকে নিবিড় পর্যবেক্ষণের (Observation)ফল। কোন জাতির উন্নয়নকে বৈজ্ঞানিক পরিণতি দেবার জন্য ইতিহাস হল প্রধানতম উপকরন।ইতিহাসের ফলাফল বিশ্লেষনপূর্বক যে কোন সমাজ, সংগঠন কিংবা রাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থান হতে ক্রমোন্নয়নের পথে ধাবিত করা সম্ভব।কোন প্রতিষ্ঠিত সমাজ, রাষ্ট্র কিংবা সংগঠনের সফলতার কারন অথবা

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৬

বঙ্গবন্ধু ও ৭১ পরবর্তী অর্থনীতি


মিন্টু শাহজাদা

বাংলাদেশ একটি উত্থানের নাম।  বহু মানুষের ত্যাগ তিতিক্ষা, রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। বলা হয়ে থাকে যে, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি ক্ষুদ্রায়তন এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই বাংলার কিছু কিছু অংশে মানব বসতির প্রমাণ পাওয়া যায়। তথাপি এই অংশের জনগণ একাত্তরের পূর্বে কোন পৃথক রাষ্ট্রের জন্ম দেওয়ার সুযোগ পায়নি। তবে যুগ যুগ ধরে তারা কারো পরাধীনতাও স্বীকার করতে চায়নি। বার বার ঔপনিবেশিক শক্তির যাতাকলে পরে এদেশের মানুষ হয়েছে নিপীড়িত, নির্যাতিত। পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে বের হয়ে আসার জন্য অনবরত বিদ্রোহের জন্ম হয়েছে, ফলস্বরূপ বহু মানুষকে সহ্য করতে হয়েছে শোষক শ্রেণীর জুলুম, অত্যাচার। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিকভাবে হতে হয়েছে নির্মম শোষনের স্বীকার। আজকের বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রভাবক